গ্রেফতার ২২ জন রোহিঙ্গা, শুরু রাজনৈতিক চাপানউতোর
বৈশাখী সাহা, উত্তর ২৪ পরগনাঃ
সূত্র অনুযায়ী এক নির্মীয়মান বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২২ জন রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ নিয়ে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়া থানার অন্তর্গত শায়েস্তা নগর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের লবঙ্গ গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় একটি নির্মীয়মান বাড়িতে বেশ কয়েকজন অপরিচিত মানুষজনকে দেখতে পান স্থানীয়রা। সন্দেহ হওয়ায় পুলিশকে খবর দেয় তাঁরা। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জানতে পারে, তারা সবাই রোহিঙ্গা। কয়েকজন শিশু সহ মোট ২২ জনকে গ্রেফতার করে বাদুড়িয়া থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, ধৃতরা হায়দ্রাবাদের বিভিন্ন স্থানে কাগজ কুড়ানির কাজ করত। তবে কি কারনে তারা বাদুড়িয়ার ওই নির্মীয়মান বাড়িতে এদিন জড়ো হয়েছিল, তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারেনি পুলিশ। কয়েক কিলোমিটার দূরে ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত থাকায়, ধৃতরা অবৈধভাবে বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টায় ছিল বলে, ওই এলাকায় জড়ো হয়েছিল। এমনটাই প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান। ধৃতদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে, বাদুড়িয়া থানার পক্ষ থেকে শনিবার ধৃতদের বসিরহাট মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।এলাকার নির্মীয়মান ওই বাড়িতে শিশু সহ ধৃত রোহিঙ্গাদের জড়ো হবার কারন জানতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। ২২ জন রোহিঙ্গা গ্রেফতার হবার ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির অভিযোগ, রাজ্য সরকার নিষ্ক্রিয় থাকায় পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তগুলিকে অনুপ্রবেশের করিডর হিসেবে ব্যবহার করছে বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গারা। তাদের এও দাবি, শাসক দলের মদতেই হাতে ভারতীয় পরিচয়পত্র পেয়ে, গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে অনুপ্রবেশকারীরা। এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, সীমান্ত এলাকায় রাজ্য নয়, বরং সর্বদা প্রহরারত থাকে কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী। তাদের নজর এড়িয়ে কিভাবে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে কেউ ভারতে প্রবেশ করতে পারে। এর জন্য কেন্দ্রকেই দায়ী করছে শাসকদল অর্থাৎ তৃণমূল।