ত্রিপুরা ধর্মনগর বাজার কলকাতা যেকোনো মুহূর্তে শপিংমলে ভেতরে ঘটে যেতে পারে অঘটন।

*ত্রিপুরার ধর্মনগরে বাজার কলকাতা, যেকোনো মুহূর্তে শপিং মলের ভেতরে ঘটে যেতে পারে অঘটন*

অরিত্র সেন, সকালের বার্তা প্রতিনিধি ত্রিপুরা!

বাজার কলকাতা, যেকোনো মুহূর্তে শপিং মলের ভেতরে ঘটে যেতে পারে অঘটন, প্রাণহানিও ঘটতে পারে ক্রেতা সহ অনেক কর্মচারীদের।
অগ্নি নির্বাপক সপ্তাহ উপলক্ষে ধর্মনগর দমকল দপ্তরের আধিকারিক সহ কর্মীরা বাজার কলকাতা নামক শপিংমলে থাকা সকল কর্মীদের নিয়ে কর্মশালা করছিল। কর্মীদের বোঝানো হচ্ছিল আগুন লাগলে তা কিভাবে প্রতিহত করবে। সেই সময় অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের সেই কর্মশালার খবর সংগ্রহ করার জন্য সাংবাদিক পার্থসারথি দাস সেখানে উপস্থিত হন। পূর্বেই সাংবাদিকের কাছে শপিং মলে আশা ক্রেতাদের কাছ থেকে অভিযোগ ছিল সেই শপিংমলে জরুরী সময়ে ব্যবহার করার জন্য দরজা পাশে অনেক ছোট এবং সব সময় বন্ধ থাকে। সাংবাদিক পার্থ বাজার কলকাতার ম্যানেজার বাপ্পা দাসকে সেই দরজা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেই সাংবাদিককে বিভিন্নভাবে হেনস্তা করতে শুরু করে। সাংবাদিককে প্রশ্ন করা হয় আপনার পরিচয় পত্র কোথায়। সেই সময় শপিংমলে থাকা এক ক্রেতা ওই ম্যানেজারকে বলে উনি ধর্মনগরের একজন সাংবাদিক পার্থসারথি দাস। তারপরেও সাংবাদিক পরিচয় পত্র দেখালেও পরিচয়পত্র গলায় কেন ঝোলানো নেই সেই প্রশ্ন করেন সাংবাদিককে ম্যানেজার বাপ্পা দাস। একটা সময় উত্তেজিত হয়ে দমকল আধিকারিক এবং কর্মীদের সামনে সাংবাদিককে নিগ্রহ করার চেষ্টা করে এবং ছবি তুলতে প্রচন্ড পরিমাণে বাধা দেয়। খবর পেয়ে অন্যান্য সাংবাদিকরা ছুটে আসলে সাংবাদিককে নিগ্রহ করা ওই ম্যানেজার ক্যাশ কাউন্টারের সাইডে গিয়ে লুকিয়ে থাকলেও সাংবাদিকদের চাপে সে বেরিয়ে আসে। সাংবাদিকের সাথে ঘটনার সম্পর্কে জানতে চাইলে সে সঠিক কোন জবাব দিতে পারেনি। উল্টো সাংবাদিকদের উপদেশ দেন যে সাংবাদিকদের পরিচয় পত্র গলায় ঝুলানো থাকা উচিত। জরুরী কালীন দরজা এবং কোন অগ্নিকাণ্ড ঘটলে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল আছে কিনা তা জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান দমকল দপ্তরের আধিকারিক এসে দেখে গিয়েছেন। তিনি সব বলেছেন ঠিক আছে। সেই বিষয় নিয়ে সাংবাদিকরা দমকল দপ্তরের ওসি ধমনজিত দেববর্মার কাছে জানতে চাইলে তিনি যা উত্তর দেন তা অত্যন্ত ভয়ংকর বিষয়। তিনি জানান, জরুরী কালীন দরজা শপিংমল খোলা থেকে বন্ধ হওয়ার পর্যন্ত খোলা থাকার কথা। কিন্তু সেটা সবসময় বন্ধ থাকে। পাশাপাশি দমকল দপ্তরের আধিকারিক আরো জানান কোন অগ্নিকাণ্ড ঘটলে শপিংমলের ভেতরে জল দেবার জন্য যে পাইপলাইন থাকে সেটি বহু পুরাতন আমলের এবং পাইপটি অকেজো হয়ে রয়েছে। ওসি ধমনজিত দেববর্মা আরও জানান, শপিংমলে অগ্নিকাণ্ডে ব্যবহার করার জন্য যেসব জিনিস রয়েছে সেগুলো কিভাবে ব্যবহার করতে হয় তা কোন কর্মী জানেনা। আশ্চর্যের বিষয় হল এই শপিংমল কিভাবে ধর্মনগর শহরের বুকে ব্যবসা করে যাচ্ছে যেখানে কোন অগ্নিকাণ্ড ঘটলে শপিংমলের ভেতরে থাকা ক্রেতা সহ অন্যান্য কর্মীদের প্রাণহানি ঘটতে বাধ্য। প্রশাসন কিভাবে এই শপিংমল কে অনুমতি দিল ব্যবসা করার জন্য। ধর্মনগর পুরো পরিষদ, মহকুমা প্রশাসন বা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেউ কোন খবর নিয়েছে কি বাজার কলকাতার ভেতরের যতু গৃহের অবস্থা। তাহলে এখন বোঝা যাচ্ছে সাংবাদিককে কেন বাধা দিয়েছিল বাজার কলকাতার ভেতরে প্রবেশ করতে।

About Author

error: Content is protected !!