বাংলাদেশে ফেরার পূর্বে গ্রেফতার ৭
বৈশাখী সাহা, উত্তর ২৪ পরগনাঃ
ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালাবদলের পর কাশ্মীরের পেহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলার ঘটনায়, ভারত থেকে বাংলাদেশী ও পাকিস্তানি প্রত্যাহারের কড়া হুঁশিয়ারি দেয় ভারত। সেই অনুযায়ী নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করা হয় সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে। পাশাপাশি, এদেশে থাকা পাকিস্তানি ও বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের খোঁজে তল্লাশি অভিযানে নামে পুলিশ। গত বেশ কিছুদিন যাবত নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ধরা পড়েছে একাধিক অনুপ্রবেশকারী। শনিবার সকালে বাংলাদেশে ফিরে যাবার পূর্বেই ফের পুলিশের জালে ধরা পড়ে ৭ জন বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী। নদীয়া জেলার হাঁসখালি থানার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে হাঁসখালি থানার সীমান্তবর্তী এলাকায় সাত জনকে একত্রে ঘোরাফেরা করতে দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। খবর পেয়ে হাঁসখালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাতজনকে আটক করে। তাঁদের থেকে কোনও বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে যে, গত তিন বছর আগে এক দালাল মারফত বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ওই সাত জন ভারতে এসেছিল। এরপর ভুয়ো পরিচয় পত্র বানিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বসবাস করছিল তাঁরা। ভারতে বাংলাদেশী ও পাকিস্তানি প্রত্যাহারের ঘোষনায়, এদিন দালালের মাধ্যমে তাঁরা দেশে ফেরার চেষ্টা করছিল। এরপরই ওই ৭ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে চারজন পুরুষ ও তিনজন মহিলা। দালাল পলাতক।
অনুপ্রবেশকারী ও দালালদের ধরতে অভিযান চলবে বলে জানায় পুলিশ। অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করার অভিযোগে ধৃতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে হাঁসখালি থানার পক্ষ থেকে ধৃতদের এদিন রানাঘাট মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।