*তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ডায়মন্ড হারবার শহরে বাড়ছে আখের রস ও ডাবের চাহিদা*
*বাইজিদ মন্ডল ডায়মন্ড হারবার:-* বিশেষজ্ঞদের নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে দিয়ে গত কয়েক বছর ধরে বেপরোয়া ভাবে বৃক্ষচ্ছেদন হয়ে যাচ্ছে। সরকারে পক্ষে থাকে ও বিভিন্ন সংগঠন এবং স্বংস্থা থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে আসছে, এছড়াও তারা বাড়ির আশেপাশে ও এলাকায় এলাকায় বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ করার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।কিন্তু সেই তুলনায় বৃক্ষরোপণ হয়েছে কিছুটা কম। আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কাকে সত্যি প্রমাণ করে এবছর এপ্রিলের শেষলগ্নে রাজ্যের কোনো কোনো এলাকায় গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা ৪o°সে.ছুঁই ছুঁই, কোথাও আবার তার আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছে। গত দু’তিনদিন তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেলেও আবহাওয়া বিদদের আশঙ্কা দ্রুত তাপমাত্রা বাড়বে। রাজ্যজুড়ে পাশাপাশি বিশেষ করে কয়েক জেলায় তাপপ্রবাহের ইঙ্গিত দিয়ে মানুষকে সতর্ক থাকার এবং প্রচুর জলপান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন কাজে এবং পেশাগত কারণে এই প্রবল তাপমাত্রাকে উপেক্ষা করে অনেকেই ঘরের বাইরে বের হতে বাধ্য হচ্ছেন। সঙ্গে পানীয় জল থাকলেও তাদের পিপাসা মেটানোর জন্য বিভিন্ন জাতীয় ও রাজ্য সড়ক ও গ্রামীণ হাট বাজার এলাকার ধারে আখ ও ডাব এবং ঠাণ্ডা পানীয় জল নিয়ে হাজির হয়ে গেছেন একদল মানুষ। ইতিমধ্যে ডায়মন্ড হারবার (এম বাজার) স্টেশন বাজার এলাকায় বিভিন্ন জাতীয় সড়কের একাধিক জায়গায় আখের রস ও ডাব বিক্রেতাদের দেখা যাচ্ছে। এইসব রাস্তা ধরে ব্যক্তিগত বা ভাড়া গাড়িতে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ যাতায়াত করে। যাতায়াতের পথে ক্ষণিকের অবসরে তাদের আখের রস বা ডাবের জল দিয়ে তৃষ্ণা মেটাতে দেখা যায়। মাঝে মাঝে আখের রস ও ডাবের টানে স্থানীয়রাও এইসব জায়গায় ভিড় করতে দেখা যায়। ডায়মন্ড হারবার এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা বললেন, কর্মস্থলে যাওয়ার সময় বাড়ি থেকে পানীয় জল নিয়ে যাই ঠিকই। কিন্তু রোদের তাপে বাড়িতে আনা ঠাণ্ডা পানীয় জল গরম হয়ে যায়, মুখে দিয়ে মন চায় না। মাঝে মধ্যে আবার মন না চাইলেও না চারে বাধ্য হয়ে সেই গরম পানীয় জল খেতে হয়। আবার কখনও কখনও সুযোগ পেলে যাওয়ার পথে মাঝে মাঝে আখের রস খাই তৃষ্ণা মেটাতে,বিটনুন সহযোগে খেতে খুব ভালই লাগে। এখন বাজারে ডাবের যা চোরা দাম তাই মাঝে মধ্যে কোনো সময় ডাবের জল ও খাওয়া হয়,এতে যেমন তৃষ্ণা মেটে, তেমনি শরীরও ঠাণ্ডা থাকে।