প্রতিষ্ঠা দিবস

*বিশেষ প্রতিবেদন*
সারা বাংলা সংখ্যালঘু কাউন্সিল
*সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন*

আসসালামু আলাইকুম!
সংগ্রামী সাথী,
আগামী ১১ জুলাই,২০২৫ সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের ২২ তম প্রতিষ্ঠা দিবস। ২০০৪ সালের এই দিনেই রাজ্যের সংখ্যালঘু ছাত্র যুবদের স্বার্থে ধারাবাহিক কাজ করার জন্য রাজ্যের বেশকিছু শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষকে সাথে নিয়ে মুহাম্মদ কামরুজ্জামান সাহেব সারা বাংলা সংখ্যালঘু কাউন্সিল নামে সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। যার শাখা সংগঠন সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন রাজ্যের মানুষের কাছে তার ধারাবাহিক কাজের জন্য পরিচিত লাভ করে। ১৯৯৬ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্ব দেওয়া মুহাম্মদ কামরুজ্জামান মনে করেন পড়াশুনা শেষ করে কর্মস্থলে গিয়েও যাতে রাজ্যের সংখ্যালঘু ছাত্র যুবদের স্বার্থে কাজ করা যায় তারজন্য একটি প্লাটফর্ম দরকার। সেজন্য সেই ২০০৪ থেকে এ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন রাজ্যের ছাত্র যুবদের স্বার্থে লড়াই আন্দোলন করে চলেছে। সূচনা থেকেই সংগঠনের কার্যক্রমের পাশে থেকে যারা বিভিন্ন সময়ে সহযোগিতা করেছেন এবং সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন এই ২২ তম প্রতিষ্ঠা দিবসের প্রাক্কালে সকলকে শুকরিয়া জ্ঞাপন করি, এবং আগামীদিনেও রাজ্যের সংখ্যালঘুদের পাহারাদার সংগঠন হিসাবে কাজ করে যেতে সকলকে পাশে থাকার আহ্বান জানাই।

সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন যে সমস্ত বিষয়ের উপর পাহারাদার সংগঠনের ন্যায় ধারাবাহিক কাজ করে চলেছে:-

*সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন রাজ্যের বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় গণ সংগঠনগুলোকে এক জায়গায় এনে সার্বিকভাবে বিভিন্ন ইস্যুতে কাজ করার নিরলস প্রচেষ্টা চালায়।

*প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই মাদ্রাসা ছাত্র ইউনিয়নের দাবিকে জোরদার করতে আলিয়া মাদ্রাসাকে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় করার জন্য জোরদার আন্দোলন করে।

*রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষা বাঁচাতে শূন্যপদে নিয়োগের দাবি নিয়ে একাধিকবার মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর ও মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনে ধর্না ও ডেপুটেশন দিয়েছে।

*সাচার কমিটির রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আর্থ সামাজিক মানোন্নয়নের জন্য শিক্ষা ও চাকরিতে সংরক্ষণের জন্য ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চালায়, যা পরবর্তীতে ওবিসি হিসাবে ১০ শতাংশ সংরক্ষণ আদায় করা যায়।

*রাজ্য তালিকাভুক্ত একাধিক গোষ্ঠীকে কেন্দ্রীয় তালিকাভুক্ত করতে দিল্লির কেন্দ্রীয় অনগ্রসর কল্যাণ দপ্তরে একাধিকবার ডেপুটেশন ও দিল্লির যন্তর মন্তরে ধর্না প্রদান করে তা আদায় করে আনে।

*রাজ্যে ওবিসি সার্টিফিকেট দ্রুত প্রদান করার জন্য রাজ্য অনগ্রসর কল্যাণ দপ্তর সহ জেলা শাসক, মহাকুমা শাসক, বিডিওর দপ্তরে দপ্তরে ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করে তা দ্রুততার সাথে প্রদানের দাবি আদায় করে।

*রাজ্যে উচ্চ শিক্ষায় কোন প্রতিষ্ঠান ওবিসি সংরক্ষণ মান্যতা না দিলে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন সেখানে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। সে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড থেকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়, বারাসাত স্টেট ইউনিভার্সিটি, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় সর্বত্র ধর্না ও ডেপুটেশন দিয়েছে।

*চাকরিতে ওবিসি সংরক্ষণ অবহেলা হলেই বিভিন্ন নিয়োগ সংস্থা স্টাফ সিলেকশন কমিশন, পাবলিক সার্ভিস কমিশন, স্কুল সার্ভিস কমিশন সহ বিভিন্ন দপ্তরে ধরনা ও ডেপুটেশন দিয়েছে।

* বর্তমান আদালতের নির্দেশে ও আইনী জটিলতায় ওবিসি সংরক্ষণ বন্ধ থাকায়, তা পুনরায় চালু করার জন্য আইনজীবীদের পরামর্শ নিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিক ও কর্তৃপক্ষদের সঙ্গে ধারাবাহিক কাজ করে চলেছে।

*স্কুল সার্ভিস কমিশনে দীর্ঘদিন শূন্যপদে পড়ে থাকা এসসি এসটি আরবি পোস্ট কাটিয়ে সাধারণ বা ওবিসি করার জন্য ধারাবাহিক কমিশনের দপ্তরে ধর্না ও ডেপুটেশন দিয়েছে। এবং গত আপার প্রাইমারি নিয়োগে সেই পোস্ট গুলি পূর্ণ হয়েছে।

*কেন্দ্রীয় সরকারের MSDP প্রকল্প ও সংখ্যালঘু উন্নয়নের ১৫ দফা কর্মসূচি ব্লক স্তরে বাস্তবায়নের জন্য ধারাবাহিক আন্দোলন করে, রাজ্যের প্রায় সব ব্লকেই এইসব প্রকল্পের অর্থ বাস্তবায়নের দাবি আদায় করে, যা ইতিপূর্বে অনেক ব্লক থেকে সংখ্যালঘু উন্নয়নের প্রকল্পের অর্থ ফেরৎ দেওয়া হতো। পরবর্তীতে এই প্রকল্পে রাজ্যের সর্বত্র ঈদগাহ ও কবরস্থানের প্রাচীর দেওয়ার কাজ শুরু হয়।

*বন্ধ হয়ে যাওয়া হুগলি মাদ্রাসা চালু করার দাবিতে বিভিন্ন সময়ে ধর্না ও অবস্থান বিক্ষোভ করেছে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন।

*২০১৩ সালে হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর চরিত্র বিকৃত করে কার্টুন, ও ‘ইনোসেন্স অফ মুসলিম’ সিনেমার বিরুদ্ধে সমস্ত সংগঠনকে সাথে নিয়ে কোলকাতায় ঐতিহাসিক জনসমাবেশ করে প্রতিবাদ জানায়।

*রাজ্যের মুসলিমদের হেয় প্রতিপন্ন করা ‘জুলফিকার’ সিনেমার বিরুদ্ধে জোরালো আওয়াজ তুলে পরিচালকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সিনেমার বিতর্কিত অংশ কেটে বাদ দিতে বাধ্য করে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন।

*প্রতিবেশী দেশ মায়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের গণহত্যার প্রতিবাদে কোলকাতায় বিভিন্ন সংগঠনকে সাথে নিয়ে ঐতিহাসিক জনসমাবেশ করেছে।

*ফিলিস্তিনে আক্রান্ত মজলুম মুসলমানদের জন্য কলকাতায় একাধিক বার সভা এবং বিক্ষোভ মিছিল সংগঠিত করেছে।

*বাংলাদেশে মাওঃ দেলওয়ার সায়িদীর ফাঁসির আদেশের প্রতিবাদে কলকাতায় বিভিন্ন সংগঠনকে সাথে নিয়ে ঐতিহাসিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত করেছে।

*কোলকাতার মুসলিম ছাত্রাবাস বেকার হোস্টেলে মুজিবুর রহমানের মূর্তি বসানোর তীব্র বিরোধিতা করেছে। এর জন্য বিভিন্ন দিক থেকে যুব ফেডারেশনকে সমালোচিত হতে হয়।

*প্রতিবেশী দেশ নেপালে ভূমিকম্প হলে সেখানে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছে সংগঠনের সদস্যরা।

*হাওড়া, হুগলি ও সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় বন্যাকবলিত মানুষের জন্য একাধিকবার ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছে সংগঠন।

*রাজ্যের জবরদখল থাকা ওয়াকফ সম্পত্তি পূনরূদ্ধার করে তার আয় থেকে সংখ্যালঘুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে ব্যায় করার ধারাবাহিক আন্দোলন করে আসছে।

*ওয়াকফ সম্পত্তির আয় থেকে ইমাম মুয়াজ্জিনদের ভাতা বৃদ্ধি ও তাঁদের সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য অর্থ বরাদ্দ ও তাঁদের গৃহ নির্মাণের দাবি করে আসছে।

*রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জবরদখল হওয়া ওয়াকফ সম্পত্তির পুনরুদ্ধারে কখনো জেলা শাসক কখনো রাজ্য ওয়াকফ দপ্তরে কখন রাজ্য মাইনোরিটি কমিশনে ধারাবাহিক দরবার করে এসেছে।

*দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আক্রান্ত হওয়া বাঙালি মুসলিম পরিযায়ী শ্রমিক সহ বিভিন্ন পেশার মানুষের জন্য কখনো অসম ভবনে, কখনো ত্রিপুরা ভবনে, কখনো হরিয়ানা ভবনে কখনো রাজপথে নেমে জোরদার আন্দোলন করেছে।

*রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আক্রান্ত ও নিহত হওয়া সংখ্যালঘু যুবকদের বাড়িতে পৌঁছে, পরিবারগুলোকে ন্যায় বিচার পাইয়ে দিতে কখনো জেলা শাসক, কখন রাজ্য পুলিশের সদর দপ্তর ভবানী ভবন কখনো রাজ্য সংখ্যালঘু কমিশনে ছুটে গিয়েছে।

*আনএডেড মাদ্রাসা শিক্ষকদের সাম্মানিক চালু সহ একাধিক দাবিতে বহুবার ধর্না বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেছে যুব ফেডারেশন।

*রমজান মাসে রাজ্যে নির্বাচন নিঘন্টের বিরুদ্ধে এবং শুক্রবারে নির্বাচনের দিন নির্ধারণের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে একাধিকবার ধর্ণা ডেপুটেশন প্রদান করেছে।

*মুসলিম সম্প্রদায়ের বড়ো উৎসব দুই ঈদের ছুটি তিনদিনের দাবি নিয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে একাধিকবার ধর্ণা ডেপুটেশন প্রদান করেছে।

*ঈদের দিন, ঈদের আগের বা পরের দিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা/ক্লাস রাখার প্রতিবাদে ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চালিয়েছে, এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সূচি পরিবর্তন করতে বাধ্য করিয়েছে।

*রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঈদ ও কোরবানিতে বাঁধা আসলে যুব ফেডারেশনের প্রতিনিধি দল সরাসরি সেই স্থানে উপস্থিত হয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং সমস্যা সামাধানে বাধ্য করিয়েছে।

*বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্ম স্থলে মুসলিম মহিলাদের হিজাব পরিধানে বাধা সৃষ্টি করলে সংগঠন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে গিয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং সমস্যার সমাধানে চেষ্টা করেছে। এবং দেশের হিজাব আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বিভিন্ন স্থানে সভা সেমিনার করেছে।

*রাজ্যের MGNRGA সুপারভাইজার ও VRP কর্মীদের সান্মানিকের দাবিতে একাধিকবার বড়ো বড়ো সভা সমিতিতে অংশগ্রহণ করেছে যুব ফেডারেশন।

*দেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সংখ্যালঘু নিধনের প্রতিবাদে একাধিক কর্মসূচি পালন করেছে।

*দেশ ও রাজ্যে শান্তি, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভাতৃত্বের পরিবেশ বজায় রাখতে একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে।

*প্রতিবছর ৬ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ স্মরণে কালা দিবস পালন করেছে।

*কেন্দ্রীয় সরকারের ইউনিফর্ম সিভিল কোডের নামে মুসলিম পার্সোনাল ল’এ হস্তক্ষেপ করার তীব্র প্রতিবাদ করেছে, বিশেষ করে তিন তালাক বিল পাস করার প্রতিবাদে সংগঠন রাস্তায় নেমেও আন্দোলন করেছে।

*কেন্দ্রীয় সরকারের সিএএ,এনআরসি আইনের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছে সংগঠন।

*ডাক্তার কাফিল খানকে অন্যায় ভাবে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে দেশজুড়ে আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলনে নামে সংগঠন।

* কাশ্মিরী কন্যা আসিফার হত্যার প্রতিবাদে দেশজুড়ে আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলনের নামে সংগঠন ‌।

*বিজেপি নেত্রী নুপুর শর্মা হজরত মুহাম্মদ সাঃ এর বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করলে হাজার হাজার মানুষকে সাথে নিয়ে কোলকাতায় শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে।

*কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি আইনের প্রতিবাদে দীর্ঘদিন ধরে চলা কৃষক আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলনে নামে সংগঠন‌।

*নির্বাচন এলেই মানুষের রক্তপাত যেন অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠে, তাই বিভিন্ন সময়ে শান্তিপূর্ণ, রক্তপাতহীন নির্বাচনের দাবি নিয়ে এলাকায় এলাকায় সচেতন মিছিল ও নির্বাচন কমিশনে ডেপুটেশন দিয়েছে যুব ফেডারেশন।

*দেশের ঐক্য, সংহতি, সার্বভৌমত্ব, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ বিরোধী যে কোন অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার ভাবে ধারাবাহিক পথে নেমে কাজ করেছে যুব ফেডারেশন।

*সম্প্রতি মোদি সরকারের ওয়াকফ সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে রাজ্যজুড়ে ধারাবাহিক বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে চলেছে যুব ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ।

দীর্ঘ ২১ বছর ধরে সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের এই সমস্ত কর্মকান্ডের ধারাবাহিক আঞ্জাম দিয়ে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন কখনো বিশিষ্ট ইন্জিনিয়ার সালাউদ্দিন আহমেদ, কখনো অধ্যাপক নুরুল ইসলাম, কখনও মাওঃ আনোয়ার হোসেন কাসেমী। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে চলেছে মুহাম্মদ কামরুজ্জামান সাহেব। সংগঠনের প্রতি তাঁর একাত্মতা, ন্যায় নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন ও নেতৃত্ব দেওয়ার ধারাবাহিক অভিজ্ঞতা সংগঠনকে রাজ্যের সচেতন মানুষের কাছে এক অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে। তাই রাজ্যের মুসলিমদের যে কোন ইস্যুতে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ কামরুজ্জামান সাহেবের মতামত, পরামর্শ ও আন্দোলন মানুষ প্রত্যাশা করে। সংগঠনের হাজার হাজার সদস্য তাঁর দেখানো পথে যে কোন কঠিন পরিস্থিতিতে মাথা ঠাণ্ডা রেখে কাজ করার জন্য তাঁর নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকে। কোথা থেকে আন্দোলন শুরু করতে হয়, কখন আন্দোলন থামাতে হয়, কখন কথা বলতে হয়, কখন চুপ করতে হয় তাঁর কাছ থেকেই প্রতিনিয়ত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে যুব ফেডারেশনের কর্মী সমর্থক ও সদস্যরা। সংগঠনের এই সমস্ত ধারাবাহিক কর্মকাণ্ডের জন্য শিক্ষিত সমাজের মধ্যে যুব ফেডারেশনের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে যথেষ্ট। এবং সংগঠনের নেতৃত্বের মধ্যে শিক্ষিত যুবকদের অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতো। তাই সংগঠনের প্রতিষ্ঠা থেকে আজ পর্যন্ত যারা সংগঠনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেছেন, সহযোগিতা করেছেন সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। আগামীতে রাজ্যের সংখ্যালঘু ছাত্র যুবদের স্বার্থে ধারাবাহিক কাজ করতে একটি পাহারাদার সংগঠনের ভূমিকায় কাজ করার জন্য সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের পাশে থাকার আহ্বান জানাই।

প্রতিবেদনে
মহঃ আলি আকবর
সহ সম্পাদক
সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন
যোগাযোগ:- 9830764396

বিঃ দ্রঃ -এ বছর ১১ জুলাই, শুক্রবার , ২০২৫ সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের ২২ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে কোলকাতার মৌলালী যুবকেন্দ্রে বেলা ২:৩০ মিনিটে একটি কনভেনশন অনুষ্ঠিত হবে। কেন্দ্রীয়,জেলা ও ব্লক স্তরের নেতৃত্বরা এই কনভেনশনে অংশগ্রহণ করবেন।

About Author

error: Content is protected !!